1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার আদর্শ সাংবাদিকতা: সততা ও সাহসিকতার নাম সাংবাদিক মোঃ বাদল হাওলাদার পাবনা সহ ৬ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ নিয়ামতপুরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে মারধর, গ্রেপ্তার ১ বরগুনার তালতলীতে প্রতারক ছেলের ফাঁদে পরে সর্বশান্ত পিতা  রৌমারীতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ নির্বাচনী উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতি গুলোর মধ্যে এটি একটি ,প্রধানমন্ত্রী উদয়পুর ইউনিয়নে বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন, প্রধানমন্ত্রী

নিয়ামতপুরে আমনের ফলনে খুশি, দামে অখুশি কৃষক

নিয়ামতপুর(নওগাঁ)প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

ঝাঁটা দিয়ে ঝাড়ু দিতে ব্যস্ত নিপেন্দ্রনাথ। বাঁকে করে ধান এনে ক্লান্ত ভাদু মহন্ত একটু জিরিয়ে নিচ্ছেন। আর ধান রেখে সুকোলের ভুটভুটি আবার চলে যাচ্ছে ধান নিতে। স্তূপ করা ধানে পোকা খুজেঁ খাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল। বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকের উঠানে উঠানে এমন দৃশ্য যেন কৃষি প্রধান গ্রাম বাংলার প্রতিচ্ছবি।

ধানের জেলা হিসেবে খ্যাত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় শুরু হয়েছে চলতি মৌসুমের আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের উৎসব। কাক ডাকা ভোর থেকে রাত অবধি চলছে কৃষকদের এই ‘মহাযজ্ঞ’।

তবে কৃষকেরা বলছেন, নভেম্বরের ঝড়-বৃষ্টিতে ধান ডুবে গিয়ে আর মাটিতে শুয়ে পড়ায় ফলন কম হয়েছে। সেই সঙ্গে ধানের দাম কম হওয়ায় উৎপাদন খরচ ওঠা নিয়ে তাঁরা শঙ্কায় রয়েছেন।

বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, স্বর্ণা-৫ জাতের ধান মানভেদে ১১৪০-১১৫০ টাকায় এবং ব্রি-৫১ জাতের ধান মানভেদে ১১১০-১১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে চলতি আমন মৌসুমে ৩০ হাজার ৫০৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। রোপণ করা হয়েছে ৩০ হাজার ৪৩০ হেক্টর। সে হিসাবে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫১ মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারে রোপিত জাতের মধ্যে স্বর্ণা-৫ জাতের ধান বেশি রোপণ করা হয়েছে। এছাড়া ব্রি- ৫১, ৩৪, ৭৫, ৮৭, ৯০; বিনা-১৭ সহ দেশি জাতের অন্যান্য ধান রোপণ করা হয়েছে।

উপজেলার ভাবিচা গ্রামের কৃষক গোপাল চন্দ্র প্রামানিক বলেন, তিনি এবার ৮ বিঘা জমিতে আবাদ করেছেন। ধান মোটামুটি ভালোই হয়েছিল। গত নভেম্বর মাসের কয়েকদিনের বৃষ্টিতে ও ঝড়ে আধা পাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়ে। ধান মাটিতে পড়ে যাওয়ায় কাটতে সময় বেশি লেগেছে। ধান খাড়া থাকলে ফলন বিঘাপ্রতি ১ মণ ধান বেশি হতো বলে জানান তিনি।

একই গ্রামের কৃষক রথিন মণ্ডল বলেন, ‘গত নভেম্বরের ঝড়-বৃষ্টিতে আমার কয়েক বিঘার ধান শুয়ে পড়ে। এতে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা করছি। এদিকে আবার বাজারে ধানের দাম কম। বাড়িতে হালখাতার চিঠি আসা শুরু হয়ে গেছে। খুব দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি।

এ বিষয়ে নিয়ামতপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। নমুনা শস্য কর্তন করে বিঘাপ্রতি ১৯ মণ হারে ফলন পাওয়া গেছে। গত নভেম্বরের ঝড়- বৃষ্টিতে ধানের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। তবে বৃষ্টিতে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কোনো প্রভাব পড়বে না। আশা করছি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট