1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে নিখোঁজ ব্যক্তিকে পরিবারে পৌঁছে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন গ্রাম পুলিশ ধামইরহাট ও পত্নীতলার সাংবাদিকদের সাথে সামসুজ্জোহা খানের মতবিনিময় আওয়ামী লীগ থেকে দুই নেতার পদত্যাগ, ভুল বুঝতে পারার দাবি কালাইয়ে তিনটি খড়ের পালা পুড়ে ভস্মীভূত, তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ মির্জাপুরে দাঁড়িয়ে থাকা বাসে অন্য বাসের ধাক্কা, নিহত ১ উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ স্কাউট শিক্ষক সেলিম রেজা জলঢাকায় ভুয়া আহত দেখিয়ে সরকারি ভাতা গ্রহণের অভিযোগে ইউএনও বরাবর দরখাস্ত ধামইরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বরিশালে সেতুর পিলারে ধস জনমনে পারাপারে আতঙ্ক  হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে: কালাইয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

প্রশাসক নিয়োগে উন্নয়ন কাজে স্বচ্ছতা দূর্নীতি থেকে মুক্তি সাপলেজা ইউনিয়নে

পিরোজপুর প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের মঠবাড়ীয়া উপজেলার ৯ নং সাপলেজা ইউনিয়নে গত ৩ মাস পূর্বে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পরামর্শক্রমে ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ জেলা প্রাশাসক,ইউনিয়ন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিল মঠবাড়ীয়া উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলামকে।

বিগত ৪০ বছর পর্যন্ত সাপলেজা ইউনিয়ন পরিষদটি ছিল অবহেলিত,বঞ্চিত,শোষিত।মানুষ বসার মত স্হান ছিল না পরিষদে।গোয়ালঘড়ের চেয়ে নিকৃষ্ট ছিল পরিষদ। যেটা প্রাশাসকের চোখে পরার সাথে সাথে কয়েক দিনে আমুল পরিবর্তন।বিগত দিনে উন্নয়ন বরাদ্ধের সিংহভাগ যেত রাক্ষস রাজা কুম্ভ কর্নের পেটে।নয় ছয় প্রকল্প দেখিয়ে বরাদ্ধের টাকা খেয়ে ফেলত লুটেরাজরা।হয়ত বাড়ী নয়ত লেট্রিন,না হয় হযবরল দেখিয়ে বরাদ্ধ শুরুর আগেই শেষ।

একটি স্কুলে বেঞ্চ বরাদ্ধ ছিল ৫০টি দিত ১০ টি বাকীটা যেত মামার পেটে।ভিজিডি(শিশু) কার্ড পেত দাদী,নানী,ভাবী,জাল,মেয়ে,আর সুন্দরী রমনী,সৌদী প্রবাসী ভবনের মালিক,এবং মৃত্যু ব্যাক্তি।অসহায় আর হত দরিদ্ররা হয় বঞ্চিত।সেলাই মেশিন বিতরনের মাস্টার রোল হত।অথচ ক্রয় হত না।

এভাবে কালিদাসের কাঠাল খাইত কালিগঞ্জ গু খাইত বাড়ী নামক প্রকল্প দেখিয়ে চলত হরি লুট।জনগন চলার রাস্তা হত না অথচ ব্যাক্তির বাড়ীর লেট্রিনের পুকুর,ঘাটলার কাজ হত।যার উদাহরন আমার বাড়ী যেতে রাস্তা কালভার্ট মানুষ চলাচলের অযোগ্য।যেটা প্রশাসক নিজেই দেখে জরুরী জন গুরুত্ব মনে করে ব্যাবস্হা নিয়েছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন,ট্রেড লাইসেন্স,ট্যাক্সের টাকা খাইত রাম আর যদু।প্রতিটা জন্ম নিবন্ধনের পিতা,মাতা,সন্তান থেকে ৬০০ টাকা নেওয়া হলেও তার কত অংশ ব্যাংক হিসেবে জমা হয় তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করি।
কিন্তু নুতন প্রশাসক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ব্যাবস্হা নিবেন বলে আশা করি।আর হযবরল প্রকল্প যাতে না হয় সেটাও দেখবেন বলে আশাবাদী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট