হার্ডের ফুটো নিয়ে জন্ম নেয়া মুনতাসীর আল আয়াত ( ৮ মাস) কে বাঁচাতে দেশবাসীর কাছে আর্থিক সাহায্যের জন্য বিশেষ আবেদন করেছে শিশু মুনতাসীর আল আয়াত এর মা বাবা।
শিশু মুনতাসীর আল আয়াত নীলফামারী সদর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের নটখানা কলোনি এলাকার মোহাম্মদ রাজু আহমেদ ও মৌসুমি বেগম দম্পতির একমাত্র ছেলে এবং তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট।
মুনতাসীরের বাবা মার সাথে কথা হলে তারা জানান মুনতাসীর তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট এবং আমাদের একমাত্র ছেলে সন্তান।
সে ( মুনতাসীর আল আয়াত) জন্ম নেয়ার পর থেকে বেশিরভাগ সময় অসুস্থ থাকতো তার অনেক চিকিৎসা করেছি অনেক ডাক্তার কে দেখিয়েছি তবুও তাকে সুস্থ করে তুলতে পারিনি । সম্প্রতি কিছু দিন আগে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আবারও নীলফামারী সদর হাসপাতালে শিশু বিভাগ শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কে দেখাই এবং তিনি কিছু টেষ্ট পরীক্ষা করতে দেন তখন আমরা তার কথা মতো সেই টেস্ট পরীক্ষা গুলো করি এবং তিনি সেই পরীক্ষার রিপোর্ট গুলো দেখে মুনতাসীর আল আয়াত এর জন্ম নেয়া থেকে হার্ড ফুটো বলে জানান তিনি এবং তিনি সেখানে কিছু তাৎক্ষণিক চিকিৎসা দিয়ে মুনতাসীর আল আয়াত কে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেন।
মুনতাসীর আল আয়াত এর বাবা রাজু আহমেদ আরো বলেন ইতিমধ্যে আমরা মুনতাসীর কে ২ থেকে ৩ বার ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছি এবং আমার যা সামথ্য ছিলো সব কিছু দিয়ে তার চিকিৎসা চালিয়ে আমি এখন প্রায় শূন্য শুধু বসত ভিটা টুকু ছাড়া আর কিছুই নেই এবং ইতিমধ্যে এই বসত ভিটা টুকুর ও কিছু টাকা নিয়ে ঢাকায় যেতে হচ্ছে , তাই যদি দেশের কোন সরিদয়বান ব্যক্তি আমার এই অবুঝ শিশুটি কে বাঁচাতে সাহায্য হাত বাড়িয়ে দেয় তাহলে আমার মুনতাসীর আল আয়াত হয়তো এই পৃথিবীতে থাকতে পারবে।
এবিষয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা হলে তারা জানান মুনতাসীর আল আয়াত এর বাবা রাজু আহমেদ একজন শারীরিক প্রতিবন্ধী সেও জন্ম গত ভাবে প্রতিবন্ধী কোন রকমে সে তার পরিবার পরিচালনা করে সে খুব অভাব অনটনের মধ্য দিয়ে দিন পার করছিলো এরেই মধ্যে তার ঘর উজ্জ্বল করে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্ম নেয় কিন্তু শিশু টি হার্ডের ফুটো নিয়ে জন্ম গ্রহণ করেন। শিশুটির চিকিৎসার জন্য রাজু আহমেদ সবকিছুই শেষ করে দিয়েছে এখন শুধু তার বসত ভিটা টুকু ছাড়া কিছুই নেই এবং আমরা শুনতে পারছি রাজু আহমেদ তার বসত ভিটা টুকু জন্য ও টাকা নিয়ে তার ছেলের চিকিৎসার জন্য ঢাকা যাচ্ছে । তাই আমরা তার এলাকাবাসী হয়ে দেশবাসীর কাছে আকুল আবেদন করেছি যে আপনারা তার ছেলে কে বাঁচাতে আপনাদের সামর্থ মত যে যা পারেন তাকে দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।
এদিকে ৪ নং পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন শিশুটির বাবা মা বিষয় আমাকে জানিয়েছে এবং আমি আমার সামর্থ মতো যা পেরেছি তা দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছি এবং সরকারি কিছু অনুদানের জন্য তাদের কে কিছু পরামর্শ এবং ফরম পূরণ করতে দিয়েছি।
শিশু মুনতাসীর আল আয়াত কে বাঁচানোর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চাইলে ০১৭৮৮২৩৩৩৬২ ( বিকাশ পারসোনাল শিশু মুনতাসীর আল আয়াত এর বাবার নাম্বার) তার এই বিকাশ নাম্বার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারেন।