1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ধান বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে কৃষক ভোলাহাটে ছাত্র যুব গণজমায়েত ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে দারুল ইসলাম বালিকা মডেল মাদ্রাসা উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত  গাজীপুরের গজারি বনের জঙ্গল থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ​৪০ বছরের শিক্ষকতার ইতি বিদায়বেলায় অশ্রুসজল বাক্যে যা বললেন প্রবীণ শিক্ষক ডাঃ অতিথি ও তার পরিবারের প্রতারণা; ভুক্তভোগীর আইনী পদক্ষেপ নিয়ামতপুরে ১০ কোটি টাকার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেই চিকিৎসক-ওষুধ, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নিয়ামতপুরে অগ্নিকাণ্ডে তুলার গোডাউন ভস্মীভূত কালাই বাইগনি ও হাটপুকুর বাজারে মামুনুর রশীদের নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ জলঢাকায় খাস জমির ভিড়ে উধাও পৈত্রিক সম্পত্তি, প্রতিকার চেয়ে নবর উদ্দীনের আকুতি

বকেয়া বেতন ও ঈদভাতার দাবিতে গাজীপুরে শ্রমিকদের ক্ষোভ

গাজীপুর প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় বকেয়া বেতন, বাৎসরিক ছুটির টাকা, ইনক্রিমেন্ট ও ঈদকে সামনে রেখে পাওনা পরিশোধের দাবিতে পৃথক দুটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকরা কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে শিল্পাঞ্চলজুড়ে এ আন্দোলনের কারণে শ্রমিকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে শিল্প পুলিশ ও থানা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

শ্রমিকরা জানান, কোনাবাড়ীর জরুন এলাকায় অবস্থিত কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা গত দুই মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। প্রথমে গত ১৭ মে সন্ধ্যা থেকে ডাইং ও নিটিং সেকশনের শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখে কারখানার ভেতরে অবস্থান নেন। পরে গত রোববার সন্ধ্যা থেকে কর্মবিরতি আরও বিস্তৃত আকার ধারণ করে।
শ্রমিকদের অভিযোগ, কারখানা কর্তৃপক্ষ গত ২০ মে বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিলেও এখনো কোনো অর্থ প্রদান করা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সুইং সেকশনের শ্রমিকরাও কর্মবিরতিতে যোগ দেন। ফলে কার্যত পুরো কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ডাইং অপারেটর বলেন, আমাদের গত দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। চলতি মাসের বেতনও সামনে। কয়েকদিন পর কোরবানির ঈদ, অথচ পরিবার নিয়ে কীভাবে চলবো তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। সবাই যখন ঈদের কেনাকাটা নিয়ে ব্যস্ত, তখন আমরা বেতনের দাবিতে আন্দোলন করছি। বেতন না পাওয়া পর্যন্ত কাজে ফিরবো না।

একাধিক সূত্র জানায়, শুধু শ্রমিকরাই নয়, কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও দীর্ঘদিন ধরে বেতন সংকটে রয়েছেন। অনেক স্টাফের ১৫ থেকে ২০ মাস পর্যন্ত বেতন বকেয়া রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন বলে জানা গেছে।

কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তিনি কোনো বক্তব্য না দিয়ে ফোন কেটে দেন।

অন্যদিকে, গাজীপুরের বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত তমিজউদ্দীন টেক্সটাইল মিলস্ পিএলসি-এর শ্রমিকরাও বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কারখানার মূল ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। তাদের দাবি, বাৎসরিক ছুটির টাকা, ইনক্রিমেন্ট এবং মে মাসের অর্ধেক বেতন ঈদের আগেই পরিশোধ করতে হবে।

মো: আতিকুল ইসলাম নামে এক রিং অপারেটর অভিযোগ করে বলেন, আমরা অসুস্থ হলেও ছুটি দেয় না কর্তৃপক্ষ। শ্রমিকদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। বছরের পর বছর কাজ করেও ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।
পরিস্থিতি সামাল দিতে তমিজউদ্দীন টেক্সটাইল মিলস্ পিএলসি কর্তৃপক্ষ কারখানার মূল ফটকে একটি নোটিশ টানিয়ে দেয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, আগামী ২৪ মে পবিত্র ঈদুল আজহার বোনাস এবং বিটিএমএ ঘোষিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মে মাসের বেতন পরিশোধ করা হবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনাবাড়ী থানার ওসি মো. ইফতেখার হোসেন বলেন, কেয়া নীট কম্পোজিট লিমিটেডে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতির খবর পেয়েছি। শিল্প পুলিশ ও কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে।

শিল্পাঞ্চলে একের পর এক শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ঈদকে সামনে রেখে বেতন-ভাতা পরিশোধ না হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট