1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার আদর্শ সাংবাদিকতা: সততা ও সাহসিকতার নাম সাংবাদিক মোঃ বাদল হাওলাদার পাবনা সহ ৬ জেলায় বইছে মৃদু তাপপ্রবাহ নিয়ামতপুরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে গিয়ে পুলিশ সদস্যকে মারধর, গ্রেপ্তার ১ বরগুনার তালতলীতে প্রতারক ছেলের ফাঁদে পরে সর্বশান্ত পিতা  রৌমারীতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন সরকার কৃষিঋণ মওকুফসহ নির্বাচনী উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতি গুলোর মধ্যে এটি একটি ,প্রধানমন্ত্রী উদয়পুর ইউনিয়নে বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বিএনপি নেতাকর্মীদের মিলনমেলা ভাসানীর মাজার জিয়ারত করলেন, প্রধানমন্ত্রী

‎বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাপক দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে। সোসাইটি ফর এনফোর্সমেন্ট অব বেসিক রাইটস (SEBR) থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বরাবর দাখিল করা এক আবেদনে এই অভিযোগগুলো তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। অভিযোগপত্রে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, নিম্নমানের ড্রেজার ক্রয়, ঠিকাদারদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণ এবং দেশ-বিদেশে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে।


‎অভিযোগ অনুযায়ী, আইয়ুব আলী বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত প্রায় ৩২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছেন। অভিযোগের মূল বিষয়গুলো হলো:

‎গত বছর একটি নির্ধারিত প্রকল্পে ৩০০ কোটি টাকার ড্রেজার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ক্ষমতা খাটিয়ে এর কাজ তার পছন্দের ঠিকাদারদের দিয়েছেন এবং ইতোমধ্যে ৩০ কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ১১টি নিম্নমানের ড্রেজার আমদানির ক্ষেত্রেও তিনি ঠিকাদারের যোগসাজশে কয়েক কোটি টাকা অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, যার ফলে আমদানিকৃত অধিকাংশ ড্রেজারই বর্তমানে অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।

‎আইয়ুব আলী তাঁর বিভাগে দেওয়া প্রায় সকল কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের কমিশন গ্রহণ করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনি বর্তমানের একটি চলমান ড্রেজিং প্রকল্পের পরিচালক থাকাকালীন একাধিক ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার বিনিময়ে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। এক ঠিকাদারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ না দেওয়ায় পরবর্তীতে টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করলে, ঐ ঠিকাদার মারধরের শিকার হন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

‎তিনি নিজেকে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দিয়ে দপ্তরে বেপরোয়া কর্তৃত্ব ও সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি, এক ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার নামে তাঁর ব্যক্তিগত ঠিকানায় কোটি টাকা দাবি করে চিঠি দেওয়ার মতো ঘটনাও অভিযোগপত্রে উল্লেখ আছে।


‎আইয়ুব আলী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁর অবৈধ সম্পদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিচে তুলে ধরা হলো:

‎ তাঁর বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়ায় এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় একটি বিলাসবহুল বাড়ি এবং নিউ ইয়র্ক ও লন্ডনে ফ্ল্যাট কেনার অভিযোগ রয়েছে, যেখানে তাঁর ছেলেরা পড়াশোনা করে।


‎হাজারীবাগ এলাকায় ৫০০ স্কয়ার ফুট ও অন্যান্য স্থানে আরও দুইটি ৩৯০০, ১৪০০ এবং ১২০০ স্কয়ার ফুটের ফ্ল্যাট রয়েছে।

‎মোহাম্মদপুর হাউজিং এস্টেটে তাঁর এবং তাঁর স্ত্রীর নামে ৫০০/২২০০ স্কয়ার ফুটের ফ্ল্যাট।
‎ধানমন্ডি এলাকায় তাঁর নামে ২টি ফ্ল্যাট রয়েছে, যার একটি ২৫০০ স্কয়ার ফুটের।
‎তাঁর স্ত্রী ফারজানা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় এবং বাড্ডা ডিআইটিএস প্রজেক্ট এলাকায় একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট থাকার অভিযোগ রয়েছে।তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের নামে ঢাকা, ফতুল্লা, কেরানীগঞ্জ, রূপগঞ্জ, কাঁচপুর, ডেমরা, বাছার পাড়া, সাত্তার, আউলিয়া, শালদিয়া, ভৈরবের বাছারপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে একাধিক প্লট, জমি ও বাড়ি কেনার তথ্য অভিযোগপত্রে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বড় কাটালদিয়া মৌজায় ৪.৯৫ শতাংশ জমি, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ৪.৩৫ শতাংশ জমি, সাভারের শালদিয়াতে ৮৬ শতাংশ জমি, ঢাকার রায়েরচরে ৭.৫ শতাংশ জমিসহ আরও বহু সম্পত্তি রয়েছে।সোসাইটি ফর এনফোর্সমেন্ট অব বেসিক রাইটস (SEBR) তাঁদের আবেদনে উল্লেখ করেছে যে, আইয়ুব আলী একজন দুর্নীতিবাজ ও দুবৃত্ত চরিত্রের কর্মকর্তা। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের শামিল। সংস্থাটি জনস্বার্থে এই গুরুতর অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিষয়ে দ্রুত দুর্নীতি দমন কমিশনকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে এর নিবিড় তদন্তের অনুরোধ জানিয়েছে। অন্যথায় সরাসরি দুদক অথবা আদালতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।এই অভিযোগের বিষয়ে আইয়ুব আলীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন যে সকল অভিযোগের স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ তাদের হাতে রয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠানের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমন গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় প্রশাসন ও নৌ-পরিবহন খাতে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট