কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বাতার গ্রামের মৃত আমিনুল ইসলামের মেয়ে আনজু খাতুন (৩২) অভিযোগ করেছেন, একই গ্রামের মৃত সবের আলীর ছেলে আব্দুস সালাম (৫০) তাকে ভয়ভীতি ও নানা প্রলোভন দেখিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। পরে মাত্র দুই মাস সংসার করার পর তাকে ফেলে রেখে চলে যান।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, আনজু অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। অন্যের বাড়িতে একটি একচালা চাটাই ও পলিথিন দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ঘরে বসবাস করছেন তিনি। সামান্য বৃষ্টিতেই ঘরের ভেতরে পানি ঢুকে পড়ে। দিনমজুরের কাজ না করলে অনেক সময় অনাহারেই দিন কাটাতে হয় তাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আনজু স্থানীয় একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। একই ইটভাটায় কাজ করতেন আব্দুস সালামও। কাজের সূত্রে পরিচয়ের পর বিভিন্ন সময়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব ও নানা আশ্বাস দেন সালাম। প্রথমে রাজি না হলেও স্থানীয় কয়েকজনের মধ্যস্থতায় নানা প্রতিশ্রুতি ও প্রলোভনের মাধ্যমে তাকে বিয়েতে সম্মত করানো হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
আনজু খাতুন বলেন, “বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করলেও পরে আমাকে অবহেলা করে ফেলে রেখে চলে যায়। এখন আমি চরম অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
এ ঘটনায় আনজুর আত্মীয় মো. শফিয়াল ফান্ডুকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, ভুক্তভোগী নারীর নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।