1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৪ মাদকসেবিকে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড প্রদান গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ৩০ জুন পর্যন্ত সেনা মোতায়েন নীলফামারীতে চীনা নাগরিকের সঙ্গে চুক্তিতে তরুণীর বিয়ে, ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা ভূরুঙ্গামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু পাবনায় নবাগত পুলিশ সুপার যোগদানের ৪৫ দিনে  গ্রেফতার ৫৩৫ মাদককারবারী  ‎নিখোঁজের দুই দিন পর পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার নীলফামারী বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধপূজা উদযাপন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরন ভূরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০৫টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ১২ কোটি টাকা নীলফামারীতে টানা তাপদাহের পর ঝড়-বৃষ্টি: বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু মান্দায় সোনালী ব্যাংকের ঋণ বিতরণ ও আদায় মেলা অনুষ্ঠিত

নীলফামারীতে চীনা নাগরিকের সঙ্গে চুক্তিতে তরুণীর বিয়ে, ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনা

নীলফামারী প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ৩ বছরের চুক্তিতে বাঙ্গালী এক নারীকে চীনা নাগরিকে বিয়ের অভিযোগ উঠেছে

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেড এলাকায় কর্মরত এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে স্থানীয় এক তরুণীর বিয়ে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ফেসবুকে দাবি করা হচ্ছে, ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন বছরের চুক্তিতে এই বিয়ে হয়েছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, বিয়েটি আইনিভাবে আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে; চুক্তির বিষয়টি তাদের জানা নেই।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ১০ জুন কোর্ট এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। নীলফামারী সদর উপজেলার সংগলশী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল হোসেনের মেয়ে মোছাঃ মাইশা আক্তার জুই এর সঙ্গে চীনা নাগরিক লিয়াউ বেইরু ছেলে মিস্টার লিয়াউ জিচুন ( বর্তমান নাম নুর মোহাম্মদ) কোর্ট এফিডেভিটের মাধ্যমে মুসলিম ধর্মগ্রহন করে তিন লাখ ২৫১ টাকা দেনমোহরের মাধ্যমে নগদ ৫ হাজার টাকা দিয়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। জুই উত্তরা ইপিজেডের ‘মেইগো বিডি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। সেখানে কর্মরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই চীনা নাগরিকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে দুই পরিবারের সম্মতিতে কোর্ট এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে পারিবারিক ভাবে ১৮ জুন বিয়ের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে দেওয়া হয়।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিয়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে কনেকে মাইক্রোবাসে ওঠার সময় কাঁদতে দেখা যায়। এরপরই নেটিজেনদের একাংশ দাবি করতে শুরু করেন, এটি কোনো স্বাভাবিক বিয়ে নয়, বরং তিন বছরের জন্য ১০ লাখ টাকার একটি চুক্তি। এই নিয়ে ফেসবুকে নানা নেতিবাচক মন্তব্য ও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে অনেককে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিয়ের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও সরকারি বিধি-বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তথ্য যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তারা।

তবে রুহুল আমিন নামে একজন মন্তব্য করে বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষ টাকার জন্য মা বোনকে ও বিক্রি করে দেয় প্রশাসন কি দেখে না”।

আল আমিন নামে একজন ফেসবুকে লিখেন, “এসব পরিবারে মানুষকে ধরে কঠিন শাস্তি দেওয়া দরকার। এবং চিনা নাগরিক আস্তে আস্তে এ দেশের মেয়ে গুলো কে নিয়ে নির্যাতন চালাচ্ছে”।

লিটন নামে এক যুবক বলেন, ওটা আমার আত্মীয় হয় ওনারা দুইজন ভালোবাসা করে বিয়ে করছে।

জানতে চাইলে রুবিনা আক্তারের বাবা ছলেমান হোসেন মুঠোফোনে (অনুরূপ) বলেন, এ বিষয়ে আমি ফোনে কোনো তথ্য দিতে পারব না। আপনারা আমার বাসায় আসেন, সামনাসামনি কথা হবে।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, থানায় এই বিষয়ে কোনো অভিযোগ আসেনি। তবে আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি, তারা কোর্ট এফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ে করেছেন। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন বছরের চুক্তিতে বিয়ের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট