1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাটহাজারীতে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল গাজীপুর’র সফিপুর বাজারে আগুন, আধা ঘন্টায় নিয়ন্ত্রণ ফায়ার্সার্ভিস নিয়ামতপুরে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের কর্মবিরতি পাবনায় নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ আনোয়ার জাহিদ এর দায়িত্বভার গ্রহণ দিনাজপুরের হাকিমপুরে আ.লীগ নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্যকে চোখ উপড়ে হত্যা পুড়ে যাওয়া বস্তিবাসীর পাশে দাঁড়ালেন সাভার এর নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ইসলাম সুমি টঙ্গীতে আতঙ্কে অর্ধশতাধিক পোশাককর্মী অসুস্থ নোয়াখালী সাংবাদিকদের সাথে বিএনপি প্রার্থীর মতবিনিময় টঙ্গীর জোড় ইজতেমায় মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড় কালিয়াকৈরে প্লাস্টিক তৈরি কারখানায় মেশিন বিস্ফোরন, দুই শ্রমিক দগ্ধ

নিয়ামতপুরে ঘরে ঘরে নবান্ন উৎসব

নিয়ামতপুর(নওগাঁ)প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

মাঠ যেন সোনা বিছানো বিস্তীর্ণ প্রান্তর। রোদে পোড়া- বৃষ্টিতে ভেজা কৃষকের মুখে হাসি আর উৎসবের বার্তা বয়ে নিয়ে আসে নতুন ধান। নওগাঁর নিয়ামতপুরে মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর ) হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে নবান্ন উৎসব পালিত হয়েছে। সনাতন পঞ্জিকা অনুযায়ী পয়লা আগ্রহায়ণ এই উৎসব পালন করা হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে, আমন ধান ঘরে এনে বাংলার কৃষকেরা যে বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করেন, তা নবান্ন উৎসব নামে পরিচিত। ‘নবান্ন’ শব্দের শাব্দিক অর্থ নব অন্ন। সাধারণত অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম দিনে কৃষিজীবী মানুষ ঘরে ঘরে প্রথম ধান তোলার পর সেই নতুন চালের দিয়ে তৈরি পিঠা-পায়েস-মিষ্টান্নসহযোগে উৎসবটি পালন করে।

উপজেলার শালবাড়ী গ্রামের পুরোহিত ভবেশ চক্রবর্তী জানান, নবান্নের দিন সকালে গৃহকর্তা স্নান করে শুদ্ধ কাপড় পরেন। সঙ্গে নেন কাস্তে, কলা পাতা আর সিঁদুর। জমিতে গিয়ে তিনটি ধানের গোছ এক জায়গায় করে মন্ত্র পাঠ করে শিষ কেটে নিয়ে কলার পাতায় রাখে। তার সঙ্গে আরও কিছু ধান কাটে।

এরপর ধানের গুচ্ছ মাথায় করে বাড়িতে নিয়ে আসেন। এরপর বাড়ির মহিলারা নতুন ধান থেকে খুঁটে খুঁটে চাল বের করে বিভিন্ন উপায়ে গুড়া করে। এই চাল গুড়ার সঙ্গে ফলমূল, দুধ, গুড় একসঙ্গে মাখিয়ে প্রসাদ তৈরি করা হয় । গৃহকর্তা এই প্রসাদ প্রথমে পূর্ব-পুরুষদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে এবং পরে পরিবারের সকলে একসাথে বসে এই প্রসাদ গ্রহণ করে।

উপজেলার ভাবিচা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল জানান, আগে নবান্নের দিনে পাড়ার সবাই মিলে এক জায়গায় খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন হতো। খুব আনন্দ করতাম। সেটা এখন আর নেই বললেই চলে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট