1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নীলফামারী বৌদ্ধ বিহারে বুদ্ধপূজা উদযাপন ও শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরন ভূরুঙ্গামারীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০৫টি দোকান পুড়ে ছাই, ক্ষতি প্রায় ১২ কোটি টাকা নীলফামারীতে টানা তাপদাহের পর ঝড়-বৃষ্টি: বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু মান্দায় সোনালী ব্যাংকের ঋণ বিতরণ ও আদায় মেলা অনুষ্ঠিত কালাইয়ে ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইউনুস আলী মন্ডলের কর্মী সমাবেশ  গাজীপুরে বাস- অটোরিকশা সংঘর্ষ, নিহত-২ নিয়ামতপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ডাসকো’র ৬০০ গাছের চারা বিতরণ ঘরের মেঝে খুঁড়তেই বের হলো মায়ের লাশ, ছেলে পলাতক ভুল রক্তের রিপোর্টে প্রসূতির জীবন ঝুঁকিতে, জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাঞ্চল্য মানবপাচারের শিকার প্রবাসীদের আর্তনাদ, দালালের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নিয়ামতপুরে জমিতে জৈব সারের ব্যবহার বাড়ছে

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

বরেন্দ্র অঞ্চলে হিসেবে পরিচিত নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা।ধান উৎপাদনে বিশেষ খ্যাতি রয়েছে এ উপজেলার। আর কিছু দিনের মধ্যে উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ শুরু হবে।তার আগে জমিতে জৈব সার দেওয়া শুরু করেছেন কৃষকেরা।স্থানীয়ভাবে এটাকে ‘পাউস’ বলা হয়।

কৃষকেরা বলছেন, কৃষি জমিতে এই সার ব্যবহারে মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি ফসলের উৎপাদন বাড়ে। এতে খরচ কমার সঙ্গে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভরতা কমে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জৈব সার তৈরির জন্য কৃষকেরা বাড়ির পাশে একটি নিদিষ্ট জায়গায় মাটি কেটে নিচু করেন। সেখানে সারাবছর গরু-ছাগলের মলমূত্র, খড়কুটো, গৃহস্থালির আবর্জনা জমা করেন। এগুলো পঁচে গিয়ে জৈব সার তৈরি হয়।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ২৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভাবিচা গ্রামের কৃষক দেবব্রত প্রামানিক বলেন, জমিতে জৈব সার দিলে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক তুলনামূলক কম লাগে। এতে করে আর্থিকভাবে সাশ্রয়ী হওয়া যায়।

একই গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল সরকার জানান, তিনি বোরো মৌসুমে জমিতে জৈব সার দেন। এতে রাসায়নিক সার কম লাগে ও ফসলের রোগবালাই কম হয়। তিনি বিঘা প্রতি দুই ট্রলি করে জৈব সার দিয়েছেন।

আরেক কৃষক নিতাই বৈরাগী বলেন, ‘আগে আমরা গরুর গাড়িতে করে জমিতে এই পাউস(জৈব সার)দিতাম । সময়ের বিবর্তনে সেই জায়গা এখন দখল করেছে ইঞ্জিন চালিত ট্রলি। ট্রলিতে করে সবাই জমিতে ‘পাউস’ দিচ্ছে।

ট্রলি চালক মো. গোলাম রাব্বানী বলেন, দূরত্বভেদে প্রতি ট্রলি ২০০-৩০০ টাকা করে জমিতে ‘পাউস’ পৌছে দিচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, জমিতে জৈব সার ব্যবহার করা অবশ্যই ভালো। কৃষকেরা বাড়ির পাশেই প্রাকৃতিকভাবে এই সার তৈরি করতে পারেন। জৈব সারের উপস্থিততে জমির মাটিতে পানি ধরে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, পানি সেচ কম দিতে হয়। জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফলন বেশি হয়। জৈব সার ব্যবহারের ফলে রাসায়নিক সার কম লাগে। কৃষকের আর্থিক সাশ্রয় হয়। আমরা সব ফসলের জমিতে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করে থাকি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট