নামের পাশে এমবিবিএস সহ আরো অনেক ডিগ্রি বসিয়েছেন অথচ কোনটার পূর্ণরুপ জানেন না তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে অভিযান চালায় র্যাব ১১ নারায়ণগঞ্জ। দি স্কয়ার ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেন্ট সেন্টারে রোগী দেখার সময় আটক করেন র্যাব। তার লেখা ডিগ্রির পূর্ণরুপ জিজ্ঞেস করলে একটার ও উত্তর দিতে পারেননি তিনি।
তিনি যেই প্রতিষ্ঠান (প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি এন্ড টেকনোলজি) থেকে ভুয়া এমবিবিএস সার্টিফিকেট নিয়েছেন সেখান থেকে এমন আরও দশ হাজার মানুষ জনপ্রতি দশ লাখ টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট নিয়েছেন। কে জানে আমরাও ভুয়া ডাক্তারের কাছ থেকে চিকিৎসা নিচ্ছি কিনা? সবাই বেশী বেশী শেয়ার করুন যাতে সবাই এই ভুয়া ডাক্তারকে চিনতে পারে এবং প্রতারণা থেকে বাঁচতে পারে।
ভুয়া ডাক্তারের কাছ থেকে বাঁচার বা তাদের সনাক্ত করার কোন উপায় জানা আছে আপনার? থাকলে জানান, উপকৃত হবো।