1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুপারি বাগানে গোপনে গাঁজা চাষ: ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের অভিযান, চারটি গাছ জব্দ টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা, নুরনবীর মৃত্যুদণ্ড রৌমারীতে নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ পাবনায় জনবহুল এলাকায় অ্যাসিডের প্যাকেজিং: ক্ষুণ্ন হচ্ছে পরিবেশ, আতঙ্কে এলাকাবাসী  দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার ওপরে, ভূরুঙ্গামারীতে প্লাবিত চরাঞ্চল সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে: জলঢাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি বরিশালে ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মাঠে শিক্ষার্থীরা, অবৈধ অটোরিকশার বিরুদ্ধে অভিযান গৃহবধূ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি শ্বশুর গ্রেফতার ডিমলায় জমি নিয়ে বিরোধ, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলার অভিযোগ কাশিমপুরে চাঁদাবাজি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ পৃথক মামলায় ৮ জনকে আটক

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা, নুরনবীর মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলে পাঁচ বছর বয়সী ভাতিজা কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচা মো. নুরনবীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

‎মঙ্গলবার(৩০ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) আ ন ম ইলিয়াস এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত আসামি নুরনবী আদালতে উপস্থিত ছিল।

‎দণ্ডিত মো. নুরনবী টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নব ধুলটিয়া (পূর্বপাড়া) গ্রামের আতাউর রহমান ছেলে। নিহত শিশু আরাফ একই এলাকার পুলিশ কর্মকর্তা খন্দকার রাসেলের ছেলে এবং মামলার বাদী মো. নাসির উদ্দিনের নাতি।

‎মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে,
‎২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের গাঙ্গাপাড়া এলাকা থেকে শিশু কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন তার চাচা নুরনবী। অপহরণের পর মোবাইল ফোনে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর ১১ অক্টোবর তার দাদা মো. নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে পুলিশের অভিযানে নুরনবী আটক হওয়ার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১২ অক্টোবর গাজীপুরের কালিয়াকৈর হাইটেক পার্ক এলাকা থেকে আরাফের গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্ত শেষে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা ২০২৫ সালের ২৭ মে আদালতে নুরনবীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

‎আদালত দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার( ৩০জুন) আসামির উপস্থিতিতে এই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। পরে নুরনবীকে কারাগারে পাঠানো হয়। টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দিপু বলেন, শিশু আরাফকে হত্যার দায়ে পেনাল কোডের ৩০২ ধারায় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৭ ধারায় মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে শিশুকে অপহরণের দায়ে তাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

‎অপরাধের আলামত নষ্ট ও লাশ গুম করার অপরাধে পেনাল কোডের ২০১ ধারায় তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। তিনি জানান, আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেন- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আসামির ওপর আরোপিত এই অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ টাকা ভুক্তভোগী মৃত শিশুর (ডিসিস্ট) পরিবার ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবেন। উক্ত আইনের ১৬ ধারা মোতাবেক এই ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎আসামি পক্ষের আইনজীবী মহসীন সিকদার জানান, হত্যাকান্ডের কোন প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই। এছাড়া আসামী নুরনবীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে না পাঠিয়ে তিন দিন স্বীকারোক্তি আদায়ের পরে আদালতে পাঠায়। এ মামলায় উচ্চ আদালতে আপীল করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট