নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন প্রেমিকা। তবে প্রেমিক বলছেন, ফেসবুকের ছবির সঙ্গে প্রেমিকার চেহারার কোনো মিল নেই। প্রেমিকার আগের বিয়ে ও তিনটি সন্তানের কথা গোপন করা হয়েছে। একাধিক পুরুষের সঙ্গেও সম্পর্ক রয়েছে প্রেমিকার। তাই বিয়ে করতে রাজি নন তিনি।
প্রেমিকের (১৯) বাড়ি উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে। আর প্রেমিকার (৩০) বাড়ি মান্দা উপজেলার জোতবাজার এলাকায়। গতকাল শনিবার প্রেমিকের বাড়িতে এসে ফিরে গেলেও আজ রোববার আবার এসেছেন তিনি।
অবস্থান নেওয়া ওই প্রেমিকা (৩০) জানান,
প্রায় তিন মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শ্রীমন্তপুর এলকার এক ছেলের সঙ্গে তার পরিচয় ও সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই সময় ছেলেটি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। পরে তিনি ঢাকায় গিয়ে ছেলেটির সঙ্গে প্রায় এক মাস বসবাস করেন। তবে তাঁর কাছে বিয়ের কোনো কাগজপত্র নেই বলে জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর আগের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। তিনি ছোট ছেলেকে নিয়ে ছেলেটির সঙ্গে এক মাস সংসার করেন। ছেলেটির সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তিনি পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ওই প্রেমিকা জানান, বর্তমানে তার পরিবারের একমাত্র শর্ত—ছেলেটির সঙ্গেই তাকে সংসার করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ছেলেটি তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়েছিল। সেই আশ্বাসেই তিনি এখন বিয়ের দাবিতে অবস্থান করছেন। গতকাল স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের আশ্বাসে তিনি স্থান ত্যাগ করলেও আজ রবিবার আবারও সেখানে ফিরে আসেন।
এদিকে ছেলেটি বলেন, ‘ফেসবুকে ছবি দেখে আমাদের প্রেমের শুরু। পরে ঢাকায় একসঙ্গে থেকেছি। কিন্তু বাস্তবে দেখি ফেসবুকের ছবির সঙ্গে মিল নেই। তারপরও তাকে চেয়েছিলাম। কিন্তু সে একাধিক পুরুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতো,কাজ করতে বললেও করতো না। তখন আর্থিক সংকটের কারণে বিয়ে করা সম্ভব হয়নি। তাঁর আগের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে এই বিষয়টাও আমার কাছে গোপন রেখেছে। এখন আমি তাকে আর বিয়ে করতে চাই না।