কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে প্রচারণার শেষ দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের জনসভায় ব্যাপক জনসমাগম লক্ষ্য করা গেছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভূরুঙ্গামারী সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ জনসভায় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে।
উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক জনসভায় অংশ নেন। তাদের উপস্থিতিতে জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা জামায়াতের আমীর আলহাজ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাবেক উপজেলা আমীর মাওলানা রুহুল আমিন হামিদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমীর আজিজুর রহমান সরকার স্বপন।
জনসভায় প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম-১ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হামিদ মিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্র শিবির সভাপতি আসিফ আব্দুল্লাহ এবং ডাকসুর কার্যকরী সদস্য রায়হান উদ্দিন।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন এনসিপি ভূরুঙ্গামারী উপজেলা আহ্বায়ক মাহফুজুল ইসলাম কিরন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, নাগেশ্বরী উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল মান্নান, কচাকাটা থানা জামায়াতের আমীর মাওলানা এনামুল হক এবং ছাত্র শিবির কুড়িগ্রাম জেলা সভাপতি মোশাররফ হোসেন।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, সারা দেশে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এ ভোটকে গণভোট হিসেবে ‘হ্যাঁ’ বলার অনুরোধ করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের আমীর আজিজুর রহমান সরকার স্বপন বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হবে। তিনি দাবি করেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে ১৮ কোটি মানুষের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দুর্নীতি, লুটপাট, গুণ্ডামি ও সন্ত্রাসমুক্ত রাজনীতির সূচনা হবে। তিনি ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানায়।