1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ধান বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে কৃষক ভোলাহাটে ছাত্র যুব গণজমায়েত ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে দারুল ইসলাম বালিকা মডেল মাদ্রাসা উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত  গাজীপুরের গজারি বনের জঙ্গল থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ​৪০ বছরের শিক্ষকতার ইতি বিদায়বেলায় অশ্রুসজল বাক্যে যা বললেন প্রবীণ শিক্ষক ডাঃ অতিথি ও তার পরিবারের প্রতারণা; ভুক্তভোগীর আইনী পদক্ষেপ নিয়ামতপুরে ১০ কোটি টাকার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেই চিকিৎসক-ওষুধ, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নিয়ামতপুরে অগ্নিকাণ্ডে তুলার গোডাউন ভস্মীভূত কালাই বাইগনি ও হাটপুকুর বাজারে মামুনুর রশীদের নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ জলঢাকায় খাস জমির ভিড়ে উধাও পৈত্রিক সম্পত্তি, প্রতিকার চেয়ে নবর উদ্দীনের আকুতি

টানা বৃষ্টিতে ভূরুঙ্গামারীতে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা, দুশ্চিন্তায় কৃষক

ভূরুঙ্গামারি (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৪ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় টানা দুই সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিতে মৌসুমী ফসলের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধান, ভুট্টা ও শাকসবজির ক্ষতি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা।

কৃষকরা জানান, অস্বাভাবিক এই বৃষ্টিপাতে নিচু জমিগুলো পানিতে তলিয়ে গেছে। ফলে বোরো ধান ও ভুট্টা খেতে পানি জমে রয়েছে। ঝড়ো হাওয়ার কারণে অনেক ভুট্টা গাছ মাটিতে হেলে পড়েছে, যা ফলনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বোরো ধানে মাজরা পোকার আক্রমণ বাড়ারও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া পাটশাক, আলু, বেগুন, করলা, ঢেঁড়স, কচুসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেতেও ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। অনেকেই জানিয়েছেন, চৈত্র মাসে এত দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাত এর আগে তারা দেখেননি। ফলে অনেক কৃষক এখনো পাট বীজ বপনের জন্য জমি প্রস্তুত করতে পারেননি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ভূরুঙ্গামারীতে ১,৪৮০ হেক্টর জমিতে গম, ১,০৭০ হেক্টরে ভুট্টা, ১,০৭০ হেক্টরে সবজি এবং ১৬,৪৮৫ হেক্টরে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৭ হেক্টর জমির ভুট্টা হেলে পড়েছে এবং প্রায় ২ হেক্টর জমির সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পাইকেরছড়া ইউনিয়নের কৃষক এরশাদ আলী বলেন, “তিন বিঘা জমিতে ভুট্টা চাষ করেছি। দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কারণে ঝড়ো হাওয়ায় গাছগুলো হেলে পড়েছে। এখন আশানুরূপ ফলন পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছি।”

অন্য কৃষক মোজাফফর হোসেন বলেন, “আগেই আলু উৎপাদনে খরচ উঠাতে পারিনি। তার ওপর ঝড়, শিলা ও টানা বৃষ্টিতে বেগুন, পাটশাক, করলা, ঢেঁড়সসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থায় ন্যায্যমূল্য পাওয়া নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় আছি।

সদর ইউনিয়নের বাগভান্ডার গ্রামের কৃষক সুররত আলী জানান, “ধানক্ষেতে হাঁটু সমান পানি জমে আছে। এতে আমার আবাদকৃত ধানের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল জব্বার বলেন, “প্রাকৃতিক দুর্যোগ আমাদের নিয়ন্ত্রণে নয়। তবে ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে ২৭০ জন কৃষককে বিনামূল্যে পাট বীজ এবং ৫০০ জন কৃষককে আউশ ধানের বীজ প্রদান করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আমন প্রণোদনায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট