নারায়ণগঞ্জ জেলা সদর উপজেলার দেওভোগ জল্লারপাড় এলাকার বাসিন্দা ডা: অতিথি ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কয়েকবছর পূর্বে প্রতারণার মাধ্যমে ৪.৫ ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাৎ ও তা ফিরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীকে দীর্ঘদিন যাবত হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ দ্বীন ইসলাম বাদী হয়ে উক্ত বিষয়ে ডা: অতিথি, পিতা: মৃত হারুন অর রশিদ, তার মা আরজুদা বেগম ও স্বামী মোঃ আসিফ কে বলে বিবাদী করে ফেব্রুয়ারী মাসে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
উক্ত অভিযোগে বলা হয় কয়েকবছর পূর্বে ডা: অতিথির পিতা মৃত: হারুন অর রশিদ, ডা: অতিথি ও তার মা আরজুদা বেগমের যোগসাজশে হারুন সুপার মার্কেটে নির্মানাধীন ফ্লাটের ইউনিট দেবার কথা বলে অভিযোগের বাদী মোঃ দ্বীন ইসলাম এর পরিবারের কাছ থেকে ৪.৫ ভরি স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেন। বাদী ও তার স্ত্রী বিবাদীদের নিকট স্বর্ণালঙ্কার অথবা ফ্লাট প্রাপ্তির বিষয়ে দাবী করতে দীর্ঘদিন যাবত হয়রানীর শিকার হয়ে আসছিলেন।
কিন্তু গত ফেব্রুয়ারী মাসে মোঃ দ্বীন ইসলাম নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের এর পর নড়েচড়ে বসেন ডা: অতিথি, তার মা আরজুদা বেগম এবং স্বামী মোঃ আসিফ তথা অভিযোগের বিবাদীগণ।
যার ফলে বিবাদীগণ উক্ত অভিযোগের তৎকালীন তদন্তকারী কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার এস. আই বর্তমানে নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর মডেল থানায় কর্মরত উপ পরিদর্শক বিনয় সরকার এর মাধ্যমে অভিযোগ ও প্রতারণার বিষয়টি থানাতেই রফাদফা করার চেষ্টা করেন যার ফলশ্রুতিতে দুই পক্ষকে নিয়ে এসআই বিনয় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানয় একাধিকবার বৈঠকে বসেন।
পরিশেষে এস.আই বিনয়ের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষের মীমাংসা না হওয়ায় অভিযোগের বাদী মোঃ দ্বীন ইসলাম বিবাদীগণকে আইনী উকিল নোটিশ প্রেরণ করেছেন।
এ বিষয়ে দ্বীন ইসলামের সাথে যোগাযোগ হলে প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘আমার ও আমার পরিবারের সাথে যে প্রতারণা হয়েছে তার সুবিচার প্রাপ্তির জন্যই আমি আদালতের স্মরণাপন্ন হতে যাচ্ছি। আশা করি আদালতেই এ বিষয়ে ন্যায্য বিচার পাবো এবং প্রতারকদের আইনের আওতায় আনা যাবে৷ আমি আদালতের স্মরণাপন্ন হওয়ায় ইতিমধ্যেই আমাকে দেশ ও দেশের বাইরে থেকে একাধিক ফোনকলে চাপ ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে।
আমি তাদেরকেও সনাক্তের চেষ্টা করছি আমাকে যারা হুমকি দিচ্ছেন সনাক্ত হলে প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবো।’