1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ১০ কোটি টাকার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেই চিকিৎসক-ওষুধ, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নিয়ামতপুরে অগ্নিকাণ্ডে তুলার গোডাউন ভস্মীভূত কালাই বাইগনি ও হাটপুকুর বাজারে মামুনুর রশীদের নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ জলঢাকায় খাস জমির ভিড়ে উধাও পৈত্রিক সম্পত্তি, প্রতিকার চেয়ে নবর উদ্দীনের আকুতি রুহুল কবির রিজভীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গোলাম আযম সৈকত হাতে চলে কাঁচি, হৃদয়ে বাজে সুর ওয়ার্ল্ড ভিশন এর আয়োজনে ধামইরহাটে বার্ষিক শিশু ও যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত  কাশিমপুরে অপহরণের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার কালীগঞ্জে দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর ও টাকা লুটপর অভিযোগ নিয়ামতপুরে বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের উদ্বোধন করেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান

নিয়ামতপুরে ১০ কোটি টাকার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেই চিকিৎসক-ওষুধ, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

নওগাঁর নিয়ামতপুরে ছয় বছর আগে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। উদ্দেশ্য ছিল প্রত্যন্ত এলাকার মা ও শিশুদের হাতের নাগালে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া। তবে ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও পূর্ণাঙ্গ জনবল ও নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ না থাকায় আলোর মুখ দেখেনি সেই কাঙ্ক্ষিত সেবার।

উপজেলার হাজিনগর ইউনিয়নের শিবপুর বাজারে অবস্থিত সরকারি এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন অনেকটাই রোগীশূন্য। চিকিৎসক না থাকায় বন্ধ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম। গত তিন মাস ধরে নেই কোনো ওষুধ সরবরাহও।

সরেজমিনে দেখা যায়, ১০ শয্যার হাসপাতালের বেডগুলো পড়ে আছে অযত্ন অবহেলায়। রোগী না থাকায় চালু নেই নিয়মিত চিকিৎসাসেবা। ধুলো- ময়লায় জর্জরিত হয়ে পড়ে আছে অপারেশন থিয়েটারসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি।
হাসপাতাল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে স্টাফদের জন্য তিনতলা আবাসিক কোয়ার্টার, রয়েছে চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জামও। কিন্তু চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় এসব অবকাঠামোও কার্যত কোনো কাজে আসছে না।
স্থানীয় এক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন,
সরকারি অর্থে এত বড় অবকাঠামো তৈরি হলেও চিকিৎসক ও ওষুধের অভাবে তারা এর সুফল পাচ্ছেন না। বিশেষ করে মা ও শিশুদের জরুরি চিকিৎসার জন্য দূরের হাসপাতালগুলোতে যেতে হচ্ছে।

বর্তমানে কেন্দ্রটিতে একজন ফার্মাসিস্ট, একজন টেকনোলজিস্ট, একজন ওয়ার্ডবয় ও একজন আয়া কর্মরত রয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানটি চালুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসক এখানে যোগদান করেননি।
কেন্দ্রটির ইনচার্জ সুজন কুমার সাহা বলেন,
‘গত তিন মাস ধরে কেন্দ্রে কোনো ধরনের ওষুধ সরবরাহ নেই। চিকিৎসক না থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ফলে রোগীরাও এখানে আসছেন না। ফলে অলস সময় পার করতে হচ্ছে আমাদেরকে।’

সেবাগ্রহীতাদের এসব অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে গেলে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইকরাম রহমান কথা বলতে রাজি হননি।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ এবং নিয়মিত ওষুধ সরবরাহ নিশ্চিত করে কেন্দ্রটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হোক। কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র যেন শুধু ভবন ও যন্ত্রপাতির প্রদর্শনী না হয়ে সত্যিকার অর্থেই মা ও শিশুদের চিকিৎসার নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত হয় এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট