1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রৌমারীতে আগাম ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে শৌলমারী চেয়ারম্যান প্রার্থী ওমর ফারুকের পরিচিত সভায় মানুষের ঢল ভূরুঙ্গামারীতে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী নিহত  স্কুলছাত্রী সামিয়াকে অপহরণ ও হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ সন্তানকে নিয়ে পরিচালনা করছেন স্পা সেন্টারে অসামাজিক কার্যকলাপ যৌতুক বিহীন এক গরীব অসহায় মেয়ের বিয়ের জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন মায়ের বর্তমানে দেশে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির উত্থান উদ্বেগজনক, সারওয়াত সিরাজ শুক্লা ভূরুঙ্গামারীতে বাক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার  ধামইরহাটে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এসওডি বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাট এনসিপি উপজেলা শাখার আয়োজনে জুলাই পদযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শ্রদ্ধা, স্মরণ ও দোয়ায় বরিশালে পালিত হলো এরশাদের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী

মির্জাপুরে নিখোঁজের সাত দিন পর অর্ধগলিত শিশুর লাশ উদ্ধার

টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় হাফিজা (৭) নামে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
‎শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কদিম দেওয়াটা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত টিনের ঘরের ভেতর থেকে লাশটি পাওয়া যায় বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার দুপুরে কদিম দেওহাটা এলাকায় বদর মিয়ার ভাড়া বাসার আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়ালে স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুজি করতে থাকেন।
‎এসময় ওমর ফারুক নামে এক ব্যক্তির তালাবদ্ধ ঘরের ভেতর থেকে হাত পা বাধা উলঙ্গ অর্ধগলিত মরদেহ দেখতে পান। পরে পরিবারের লোকজন গিয়ে হাফিজার পরিচয় নিশ্চিত করেন।

‎বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন। ‎পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে নিজ বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। নিখোঁজের পর একটি মোবাইল নম্বর থেকে ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

‎এ ঘটনায় শিশুটির বাবা সোহেল মিয়া অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় একটি শিশু অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মোবাইল নম্বর ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে একজনকে আটক করে পুলিশ। ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়। ডায়েরী নম্বর ৪৬১। শিশু কন্যা হাফিজা নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় লোকজন নিয়ে দেওহাটা ফাঁড়িতে যান। সেখানে কর্তব্যরত উপপরিদর্শক (এসআই) নুরনবীকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে উল্টো তাদের সাথে খারাপ আচরণ এবং বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ করেন হাফিজার পরিবারের সদস্যরা জানান।

‎মির্জাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করেন। এসময় দেওহাটা ফাঁড়ির এসআই নুরনবী ঘটনাস্থলে গেলে পরিবারের সদস্যদের তোপের মুখে পড়েন।এরপরে স্থানীয় লোকজন নুরনবীকে নিরাপদে ঘটনাস্থল ত্যাগ করান।

‎এসআই মোহাম্মদ নুরনবী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘পুলিশের সহযোগিতায় একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাছাড়া নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আজকে পরিবারের লোকজন আপনার উপর চড়াও হয়েছিলেন কেন জানতে চাইলে বলেন, তাদের অভিযোগ আমি এ ঘটনায় কোন কাজ করছি না।

‎মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। এসআই নুরনবীর বিরুদ্ধে পরিবার ও স্থানীয় লোকজনের অভিযোগের বিষয়ে বলেন, সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তাছাড়া নুরনবীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয় সিনিয়র কর্মকতাদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট