1. infojayjaysomoy@gmail.com : দৈনিক যায়যায় সময় : দৈনিক যায়যায় সময়
  2. info@www.jayjaysomoy.com : দৈনিক যায়যায় সময় :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিয়ামতপুরে ধান বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে কৃষক ভোলাহাটে ছাত্র যুব গণজমায়েত ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে দারুল ইসলাম বালিকা মডেল মাদ্রাসা উদ্যোগে দিনব্যাপী ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত  গাজীপুরের গজারি বনের জঙ্গল থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ​৪০ বছরের শিক্ষকতার ইতি বিদায়বেলায় অশ্রুসজল বাক্যে যা বললেন প্রবীণ শিক্ষক ডাঃ অতিথি ও তার পরিবারের প্রতারণা; ভুক্তভোগীর আইনী পদক্ষেপ নিয়ামতপুরে ১০ কোটি টাকার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে নেই চিকিৎসক-ওষুধ, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা নিয়ামতপুরে অগ্নিকাণ্ডে তুলার গোডাউন ভস্মীভূত কালাই বাইগনি ও হাটপুকুর বাজারে মামুনুর রশীদের নির্বাচনী লিফলেট বিতরণ জলঢাকায় খাস জমির ভিড়ে উধাও পৈত্রিক সম্পত্তি, প্রতিকার চেয়ে নবর উদ্দীনের আকুতি

কালবৈশাখীর ছোবলে বিধ্বস্ত স্কুল: খোলা আকাশের নিচে ১৫৪ শিক্ষার্থীর পাঠদান

তালতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:-
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার তালতলী উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে একটি বিদ্যালয়ের টিনশেড ঘরের চালা সম্পূর্ণ উড়ে গেছে। এতে কড়ইবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝাড়াখালী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৫৪ জন শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শ্রেণিকক্ষ বিধ্বস্ত হওয়ায় তীব্র রোদ ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে চলছে পাঠদান কার্যক্রম।

জানা যায়, বিদ্যালয়টি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও দীর্ঘ ৩১ বছরেও কোনো পাকা ভবন নির্মিত হয়নি। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে মোট ১৫৪ জন শিক্ষার্থী রয়েছে, যার মধ্যে প্রতিদিন নিয়মিত উপস্থিত থাকে ১২০ জনেরও বেশি। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া টিনশেড ঘরটিই ছিল বিদ্যালয়ের একমাত্র শ্রেণিকক্ষ। সেটি বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে কোনো কার্যকর শ্রেণিকক্ষ অবশিষ্ট নেই।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাথার ওপর কোনো ছাদ না থাকায় রোদ ও বৃষ্টির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। একদিকে যেমন পাঠদান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে। আকস্মিক বৃষ্টি বা ঝড়ের আশঙ্কায় বাধ্য হয়ে যেকোনো সময় ক্লাস বন্ধ করে দিতে হচ্ছে। দ্রুত সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ না হলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়টি চরম অবকাঠামোগত সংকটে ভুগছে। তারা জানান, বর্তমান এই সংকটময় পরিস্থিতিতে দ্রুত সরকারি অনুদান এবং একটি স্থায়ী ভবন নির্মাণ না হলে এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান স্বাভাবিক ও নিরাপদ করতে জরুরি ভিত্তিতে একটি নতুন ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

​প্রধান শিক্ষক আবু হানিফ বলেন, বিদ্যালয়টির বর্তমানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামত বা নতুন ভবন নির্মাণ ছাড়া পাঠদান কোনোভাবেই স্বাভাবিক রাখা সম্ভব নয়। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।

ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ সফিউল্লাহ বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিনের ছাউনি উড়ে যাওয়ায় পুরো প্রতিষ্ঠানটিই এখন পাঠদানের অনুপযোগী। দ্রুত এটি সংস্কার করা না হলে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত স্কুলমুখী রাখা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

তালতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলে, এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিয়ে সহযোগিতার চেষ্টা করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, এই ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সকল লেখা, ছবি ও অন্যান্য কনটেন্ট “দৈনিক যায়যায় সময়”-এর মালিকানাধীন। অনুমতি ব্যতীত কোনো কনটেন্ট কপি, ব্যবহার, বিতরণ বা পুনঃপ্রকাশ করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। যদি কোনো লেখা, ছবি বা তথ্যের উপর আপনার স্বত্বাধিকার দাবি থাকে, অনুগ্রহ করে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যথাযথ যাচাই-বাছাই ও প্রমাণ উপস্থাপনের ভিত্তিতে প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কনটেন্ট অপসারণ করা হবে।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট