কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় গ্রীনহাউস-সদৃশ পদ্ধতিতে গাঁজা চাষের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক ছোট-বড় গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) দুপুর প্রায় ২টার দিকে উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের একটি সুপারি বাগানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি মো. জামাল উদ্দিন (৫০), পিতা—মৃত জাফর আলী এবং তার ছেলে মো. রুবেল হোসেন (২৫), পিতা—মো. জামাল উদ্দিন, উভয় সাং-দক্ষিণ বাঁশজানি, দীর্ঘদিন ধরে সুপারি বাগানের ভেতরে তাপ ও বৃষ্টি প্রতিরোধী তারজালি দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করে অতিযত্নে গাঁজার চাষ করে আসছিলেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পিতা-পুত্র সীমান্তের কাঁটাতারের নিচের ড্রেনেজ লাইন দিয়ে ভারতের দিকে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযানে প্রায় অর্ধশতাধিক গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি গাঁজা গাছ পরিচর্যার জন্য নির্মিত তাপমাত্রা ও বৃষ্টি প্রতিরোধী বিশেষ বেষ্টনীও জব্দ করে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক কারবারিরা ভারতীয় গাঁজার বিকল্প বাজার তৈরির উদ্দেশ্যে নিজেরাই গাঁজা চাষের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।